পরিচয় যাচাই — lilbet এ KYC
যাচাই একবারই লাগে, প্রথম উত্তোলনের আগে, আর ভালো ছবি পাঠালে এক-দুই দিনেই শেষ। জমার দিনেই সেরে রাখলে তারপর প্রতিটি উত্তোলন এক ক্লিকের ব্যাপার।
কোন নথি লাগে
পরিচয়পত্র
জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট — দুই পাশের ছবি, কোণাসহ পুরোটা ফ্রেমে। মেয়াদ শেষ হওয়া নথি গৃহীত হয় না।
ঠিকানার প্রমাণ
সব ক্ষেত্রে লাগে না, তবে চাওয়া হলে সাম্প্রতিক ইউটিলিটি বিল বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট — নাম ও ঠিকানা স্পষ্ট থাকতে হবে।
পেমেন্ট মালিকানা
মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট আপনার নামে কি না, তা দেখাতে বলা হতে পারে। নাম না মিললে উত্তোলন এখানেই থেমে যায়।
ছবি কেমন হলে গৃহীত হয়
পুরো নথি ফ্রেমে
চারটি কোণা দেখা যেতে হবে। কেটে যাওয়া ছবি সবচেয়ে বেশি ফেরত আসে।
আলো ও ফোকাস
ঝলকানি বা ছায়া থাকলে লেখা পড়া যায় না। জানালার পাশে দিনের আলোয় তোলা ছবিই সবচেয়ে ভালো।
কোনো সম্পাদনা নয়
ফিল্টার, ক্রপ বা রিটাচ করা ছবি সন্দেহ তৈরি করে এবং প্রায়ই বাতিল হয়।
প্রথমবারেই অনুমোদন পেতে যে তিনটি বিষয়
সব জায়গায় এক নাম
অ্যাকাউন্টের নাম, নথির নাম আর পেমেন্ট নম্বরের নাম — তিনটি মিলে গেলেই প্রথমবারে অনুমোদনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
লেখা স্পষ্ট পড়া যায় এমন ছবি
নম্বর আর তারিখ এক নজরে পড়া গেলে যাচাই দুই দফায় নয়, এক দফাতেই শেষ হয়। জানালার পাশে দিনের আলোই যথেষ্ট।
মেয়াদ আছে এমন নথি
ছবি তোলার আগে মেয়াদটা দেখে নিন — প্রথমবারেই পাশ হওয়া আবেদনের শেষ শর্ত এটিই।
এই ধাপ নিয়ে প্রশ্ন
যাচাই করতে কত সময় লাগে
ছবি ঠিক থাকলে সাধারণত এক থেকে দুই দিন — পুরো নথি ফ্রেমে, লেখা পড়ার মতো স্পষ্ট, আর নাম নথির মতোই। এভাবে পাঠালে এক দফাতেই পাশ হয়ে যায়।
যাচাই কি জমা দেওয়ার আগেই করা যায়
হ্যাঁ, এবং সেটাই সুবিধাজনক। যাচাই বাধ্যতামূলক হয় প্রথম উত্তোলনের আগে, কিন্তু আগেভাগে সেরে রাখলে টাকা তোলার দিন অপেক্ষা করতে হয় না।
নথির ছবি কি নিরাপদ
নথি যায় সরাসরি অপারেটরের কাছে, তাদের নিজস্ব নীতির অধীনে। এই সাইটে কোনো নথি আপলোড করার জায়গা নেই এবং কখনো থাকবেও না — কেউ এখানে নথি চাইলে সেটি প্রতারণা।
১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য নয়। ProbeshBD কোনো লগইন ফর্ম রাখে না এবং কখনো পাসওয়ার্ড, OTP বা যাচাইয়ের কোড চায় না — কেউ চাইলে সেটি প্রতারণা। অপারেটরের সাইটের লিঙ্ক বিজ্ঞাপনী।